কলাবাগানে ভাঙচুর-চাঁদাবাজি: বরখাস্ত ওসি-এসআইদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে সিআইডি প্রকাশিত: ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩, ২০২৫ ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি ঢাকার কলাবাগান থানার সাবেক ওসি মোক্তারুজ্জামান ও দুই এসআই এর বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন। অপর আসামিরা হলেন-সাবেক এসআই বেলাল হোসেন ও আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। বাদীপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট আব্দুল ওয়াদুদের কাছে কোটি টাকা চাঁদা দাবি এবং দুই লাখ টাকা অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ২২ জুন আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। সেখানে ওসি ও দুই এসআই এর নাম দিয়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়। আদালত আব্দুল ওয়াদুদের জবানবন্দি গ্রহণ করে ৩০ জুন আদেশের জন্য রাখেন। ওইদিন আদেশ না দিয়ে বুধবার দিন রাখেন। কলাবাগান থানাধীন সোনারগাঁ রোডের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াদুদের লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল রাত দেড়টার দিকে কলাবাগান থানার এসআই বেলালের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ও ১৫/২০ জনের একদল সন্ত্রাসী তার বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে পড়ে। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘ ৬ ঘণ্টাব্যাপী আইন বহির্ভূত অভিযানটি বাড়ির পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেখভাল করেন কলাবাগান থানার ওসি। তিনি ডিএমপি কমিশনারের কাছে অভিযোগ করার পর ওসির সঙ্গে একই থানার এসআই বেলাল ও মান্নানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম জানান। গত ৫ মে দ্য ভয়েজ অফ মাইনোরিটি নিউজ কে মাসুদ আলম বলেন, “একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ডিএমপি সদর দপ্তর। এর প্রেক্ষিতে প্রথমে ওসি ও দুই এসআইকে প্রত্যাহার করে রমনা বিভাগে সংযুক্ত করা হয়। পরে তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ডিএমপি সদর দপ্তর। এর প্রেক্ষিতে প্রথমে ওসি ও দুই এসআইকে প্রত্যাহার করে রমনা বিভাগে সংযুক্ত করা হয়। পরে তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।” SHARES আইন আদালত বিষয়: